আইসিসির সভাপতি হওয়া আমার হাতে নেই: গাঙ্গুলি

1 week ago 4
আইসিসির পরবর্তী চেয়ারম্যান হবেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে ক্রিকেট মহলে। তবে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যান পদে বসার বিষয়টি তার হাতে নেই বলে জানিয়েছেন প্রিন্স অব ক্যালকাটা। নতুন মেয়াদে জয় শাহ বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট হলে গাঙ্গুলিকে দেখা যেতে পারে আইসিসির চেয়ারম্যান পদে।

প্রায় তিন বছর পর সুপ্রিম কোর্টের রায়ে আরও একবার বিসিবিআইয়ের। বিসিসিআইয়ের সংবিধান সংশোধনে আর কোনো বাধা রইল না। ফলে টানা দুই মেয়াদে যে কেউই থাকতে পারবেন বিসিসিআই কিংবা রাজ্য ক্রিকেটের দায়িত্বে।

এমন সময় এই সিদ্ধান্ত দিলো সুপ্রিম কোর্ট, যখন গাঙ্গুলি-জয় শাহর মেয়াদ একেবারে শেষ দিকে। এ মাসের শেষে মেয়াদ পূর্ণ হবে বিসিসিআইয়ের বর্তমান কমিটি। তবে ভারতের গণমাধ্যমে জোর গুঞ্জন, দ্বিতীয় মেয়াদে হয়তো সভাপতি পদে দেখা যাবে না প্রিন্স অব ক্যালকাটা সৌরভ গাঙ্গুলিকে।

আরও পড়ুন: আগামী দুই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালও ইংল্যান্ডে 

এর পেছনে আছে বেশকিছু কারণ। ভারতে রাজনৈতিকভাবে শক্ত অবস্থানে আছে বিজেপি। আর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর ছেলে জয় শাহ। ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবর, সভাপতি নির্বাচন হলে অন্তত ১৫টি রাজ্য অ্যাসোসিয়েশন জয় শাহর পক্ষে ভোট দেবে। এই ১৫ রাজ্যের ১৩টিতেই ক্ষমতায় আছে বিজেপি। তাই সভাপতি নির্বাচন হলে, জয় শাহর সঙ্গে পেরে উঠবেন না গাঙ্গুলি।

এ ছাড়া এবার বিসিসিআই সভাপতি হতে না পারলে, জয় শাহকে আরও ৬ বছর অপেক্ষা করতে হবে। সে সময় রাজনৈতিক পরিস্থিতি কী অবস্থায় থাকে সেটাও নিশ্চিত নয়। তাই জয় শাহই হয়তো পরবর্তী সভাপতি হবেন বিসিসিআইয়ের। সেক্ষেত্রে নতুন সচিব হতে পারেন বর্তমান কোষাধক্ষ্যের দায়িত্বে থাকা অরুন ধুমাল।

এখন প্রশ্ন গাঙ্গুলির ভবিষ্যৎ কী? আগামী নভেম্বরে শেষ হবে আইসিসি চেয়ারম্যান গ্রেগ বার্কলের মেয়াদ। গুঞ্জন আছে, আইসিসির শীর্ষ পদে বসতে চান ভারতের সাবেক অধিনায়ক। অবশ্য এসবই গণমাধ্যমের গুঞ্জন। কয়েক দিন পরই হবে বিসিসিআইয়ের এজিএম। সেখান থেকেই আসবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

আরও পড়ুন:  কোহলিকে পেছনে ফেলে রেকর্ড বইয়ে রিজওয়ান

২০১৯ এর অক্টোবরে ভারত ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের নেতৃত্বে আসেন সৌরভ গাঙ্গুলি ও জয় শাহ। বোর্ডের প্রথম এজিএমেই এক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। বিসিসিআই ও রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনগুলোতে টানা দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালনের সুযোগ ছিল না। এক মেয়াদে তিন বছর থাকার পর, পরের মেয়াদে বিরতি দিয়ে আবারও নির্বাচনের মাধ্যমে বোর্ড বা রাজ্য ক্রিকেটের প্রশাসনে ফেরার সুযোগ ছিল সংগঠকদের। এই বিধানে সংশোধন আনার ঐকমত্য আসে এজিএমে। এরপর সে বছরের ডিসেম্বরেই আদালতের দারস্থ হয় বিসিসিআই।

]]>
*** Disclaimer: This story is auto-aggregated by a computer program and has not been created or edited by Prothom Samay.
Read Entire Article